ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে ভূট্রার আবাদ, ঘরে তুলতে পারেনা দূর্বৃত্তদের ভয়ে।

0
0
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

ঠাকুর গআওঁ প্রতিনিধীঃ ১৯৮৭ সালে নিজ নামে জমি ক্রয় করে ঠিক ঠাক মতো চাষাবাদ করে আসছিলো রাহিমা খাতুন, কিন্তু করিম নামে কিছু দূর্বৃত্তদের কারনে চাষাবাদ করেও ঘরে তুলতে পারেনা অসহায় এই রাহিমা খাতুন, বরং ৮ টি মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে প্রতিদিন কোর্টের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন। ন্যায় বিচার না পেয়ে কখনো থানায় কখনো কোর্টের বারান্দায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখয় যায় রাহিমা খাতুন তার নিজের ২৫ শতাংশ জমিতে ৪ মাস আগে ভূট্রার আবাদ করেন এখন সেই ফসল ঘরে আনার সময় হলেও দূর্বৃত্তদের ভয়ে আবাদ তুলতে পারছেননা সেখানেই নষ্ট হচ্ছে আবাদ, পচেঁ গলে মাটিতে পরে বিলিন হচ্ছে,প্রায় ২০,০০০ টাকা খরচ করে চাষাবাদ করেন কিছু মুনাফার আসায় কিন্তু সেই ফসল এখন ক্ষেতেই বিলিন। ওসহায় এই মহিলা আক্ষেপ করে বলেন ৫০০ টাকার হালচাষ ৩০০০ টাকা দিতে চাইলেও তাদের ভয়ে কেউ চাষ করতে আসেনা, ৫০০ টাকার হাজিরার টাকা ২০০০ টাকা দিয়েও কেউ আসেনা তাদের ভয়ে, আমার কোনো লোকজন না থাকায় ক্ষেতের ফসল ক্ষেতেই বিলিন হচ্ছে দেখার কেউ নেই।থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না বয়স্ক ঐ মহিলা। সময় পেলে ফসলের মাঠে এসে চেয়ে চেয়ে থাকেন আর চিৎকার করে কান্না করেন এ যেনো চোখের সামনেই ফসল বিসর্জন।অভিযুক্ত করিমের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি কোনো কথা বলেননি,এ বিষয়ে ঐ সময়ে দায়ীত্বে থাকা ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম আতিকুর রহমান বলেন রাহিমা খাতুন নামে এক মহিলা মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।