বাউফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ভাংচুর করে প্রতিপক্ষদের ফাঁসানোর চেষ্টা।

0
3
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

কাইয়ুম হোসেন, বাউফল প্রতিনিধি।।
পটুয়াখালীর বাউফলে মামলা-মকর্দমার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শত্রুতামূলক ভাবে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ভাংচুর করে পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত বুধবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া চারটার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর বাজার সংলগ্ন এ ঘটনা ঘটে।

যানা যায়, কেশবপুর গ্রামের মো. রফিক হাওলাদার, রাসেল হাওলাদার ও ইব্রাহিম হাওলাদার সহ প্রায় ২৫ জন চলমান হত্যা মামলার আসামি মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন নেয়।দীর্ঘ আড়াই বছর পরে বাড়িতে বাবা-মা ও পরিজনদের সাথে দেখা করতে আসলে প্রতিপক্ষদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।গত বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিক থেকে কেশবপুর বাজারে পরিস্থিতি খারাপ দেখালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্র এলাকার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য বা কোনরূপ ক্ষয়ক্ষতি যাতে না হয় সেই মর্মে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পরিস্থিতি শান্ত রাখার ক্ষেত্রে বাউফল থানা থেকে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা।এখনও কেশবপুর বাজারের পরিবেশ থমথমে অবস্থা রয়েছে।তবে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রয়েছে।

অপরদিকে ভুক্তভোগী রফিক হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, উল্লেখিত হত্যা মামলায় আমি ও আমার ভাই সহ একাধিক নির্দোশ ব্যাক্তিদের আসামি করা হয়। সেই মামলায় আমি সহ প্রায় ২৫ জন আসামি মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে বাড়িতে আসলে প্রতিপক্ষ জিয়াউদ্দিন সুজনের নেতৃত্বে রবিউল মৃধা, ইমরান মৃধা ও আব্দুর রহিম সহ একাধিক বহিরাগত মাদকের সাথে জড়িত চিহ্নত সন্ত্রাসীদের দ্বারা কেশবপুর বাজারে প্রভাব বিস্তার করে।দিনে তাঁরা বাজারে দলবদ্ধ ভাবে মোহরা দেয় এবং রাতে বাজারে আশেপাশে বিকট শব্দের ককটেল ফাটিয়ে এলাকা বাসিকে আতঙ্কে রাখে। আমি সহ আমরা যারযার বাড়িতে অবস্থান করছি। বাড়িতে আসার পরে এখন পর্যন্ত আমরা কোথাও যায়নি।এমনকি বাজারেও বাজার করতে যাইনি। প্রতিপক্ষদের আতঙ্কে আমরা নিরুপায় হয়ে বাড়িতে অবস্থান করছি। আর কেশবপুর বাজারের মধ্যে যে দোকানে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে তা তাদের (জিয়াউদ্দিন সুজনের) সাজানো নাটক। পরিকল্পিত ভাবে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।

তবে এ বিষয় জিয়াউদ্দিন সুজনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রফিক হাওলাদার, রাসেল হাওলাদার ও ইব্রাহিম সহ তাদের একাধিক গুন্ডা বাহিনী দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে আমার দুটো ভাই (নিশাত-রুমান) কে হত্যা করেও শান্ত হইনি।তাঁরা হত্যা মামলার আসামি। জামিনে এসে তাঁরা আমাকেও হত্যার জন্য পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়েছে।

এ বিষয় বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আল-মামুন বলেন, জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। কেশবপুর বাজারে কোনরূপ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। সেখানে জনস্বার্থে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

Leave a Reply