বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে ৩ বছর ধর্ষণ করেন প্রতারক হালিম

0
31
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

শাকিল আহমেদ তজুমুদ্দিন প্রতিনিধি ঃ
ভোলার তজুমদ্দিন শম্ভুপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শম্ভুপুর গ্রামের মজিলক দালাল বাড়ি মোঃ হালিমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

ঝালকাঠি জেলার , কাঠালি থানার, মরিছবুনিয়া ইউনিয়নের, ৬নং ওয়ার্ডের, শোনায়উথায় গ্রামের এছাক হাওলাদার, বাড়ির রুনা বেগম এর সাথে সৌদি আরব প্রবাস জীবনে তাদের প্রেমের সখ্যতা জমে ওঠে।

এর পর থেকে হালিম ও রুণার মধ্যেই মোবাইলের মাধ্যমেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, ২০১৭ সাল থেকে তাদের সম্পর্ক শুরু হয়। যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে রুনা বেগম কে তার ২ ছেলে পরিবার আত্মীয় স্বজন থেকে ও স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে ২০১৯ সালে ঢাকায় এনে বিয়ে করেন। তবে বিয়ে হলেও কাবিন করেনি হালিম।

পরে বিভিন্ন কৌশলে টাকা পয়সা সকল কিছু আত্মসাৎ করেন, বিবাহিত স্বামী হিসেবে নিঃসন্দেহ অন্ধবিশ্বাসে সকল কিছু হালিম কে দেন রুনা। এর পর বেশ কিছুদিন একসাথে সংসার করার পর রুনাকে ঢাকা রেখে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন হালিম।

ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঢাকা থেকে রুনাকে হালিমের গ্রামের বাড়িতে আনেন, পড়ে তাকে চরফ্যাশন পাঠিয়ে দেন। রুনার কাছে মোবাইল সিম মেমোরি কার্ড বিয়ের ডকুমেন্ট সহ সকল ডকুমেন্ট ছিনিয়ে নিয়ে যান হালিমের পরিবার। তারপর থেকে একের পর এক প্যারানাশের হুমকি দিয়ে আছেন হালিমের পক্ষ থেকে একটি চক্র।

চরফ্যাশন থেকে ঢাকায় চলে যান রুন এর পর শম্ভুপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নয়ন মেম্বারের সাথে মোটু ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। নয়ন মেম্বার সমাধান দেওয়ার কথা বলে তাকে ঢাকা থেকে এনে সমাধান না দিয়ে আরো ৭ দিনের সময় চেয়ে পরের সাপ্তাহ আসতে বলেন।

পরে রুনা স্বামীর অধিকার নিয়ে হালিমের বাড়িতে এসে অবস্থান করেন, হালিমের ঘর তালা বদ্ধ থাকায় কেউ তাকে আর ছয় দেন নাই পরে মঙ্গলবার রাত হালিমের ছোট ভাই রিয়াজের বাসায় অবস্থান করেন রুনা।

রুনা জানান তার আত্মীয় স্বজন পরিবার সকল কিছু ছেড়ে হালিমকে বিয়ে করেছেন তার সকল কিছু আত্মসাৎ করে নিয়েছেন স্বামীর অধিকার নিয়ে হালিম এর সাথে সংসার করতে চান হালিম স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে হালিমের নিজ বাড়িতেই সুইসাইড করবেন বলে জানান।

শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নয়ন মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন তাদের সম্পর্ক দীর্ঘ পাঁচ বছর জানতে পারেন৷ স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

তজুমদ্দিন থানার তদন্ত অফিসার এনায়েত উল্লাহ জানান, ঢাকার যেই থানার এরিয়া বিয়ে হয়েছে ওই থানায় অথবা কোর্টে মামলা করতে হবে ভিক্টিমের তজুমদ্দিন থানায় মামলার তদন্ত আসলেই তদন্ত করে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

Leave a Reply