ভোলায় অনুমোদনহীন অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারির পন্য

0
13
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

মোঃ শিবলু হাওলাদার:-

ভোলা সদর উপজেলার গজনবী স্টিডিয়াম এর সামনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,একটি আবাসিক ঘরের মধ্যে মনির নামের এক লোক অনুমোদনহীন কারখানা দিয়ে বেকারীর পন্য অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে তৈরি করছে।

বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকান থেকে শুরু করে স্কুল গেটের বাচ্চাদের কাছে বিক্রি হচ্ছে ক্রিমবিস্কুট, চানাচুর, কেক, পাউরুটি সহ নানা বাহারি মুখরোচক খাবার। কখনও কি কেউ ভেবে দেখেছেন এই খাবারগুলো কোথায় তৈরি হচ্ছে? কী দিয়ে তৈরি হচ্ছে? এসব খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও যাচাই করার দায়িত্বে যারা আছেন তারা তাদের দায়িত্ব কতটা পালন করছেন? সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, সদর উপজেলার পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ড গজনবী স্টিডিয়াম এর সামনে একটি ভাড়াটিয়া বাসার ভিতরে অনুমোদনহীন অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে নানান ধরনের খাবার তৈরি হচ্ছে।
স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা ও ফাংগাসযুক্ত পরিবেশে ভেজাল ও নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে অবাধে তৈরি করা হচ্ছে ফাষ্ট ফুড ও বেকারি সামগ্রী।

আমাদের অনুসন্ধানি ক্যামেরায় উঠে আসে স্টেডিয়ামের সামনে মনিরের কারখানার নানা রকমের চিত্র। কারখানার ভেতরে যেখানে তৈরি খাবার রাখা আছে সেখানেই আটা, ময়দার পাশেই রয়েছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ, কেমিকেল ও পোড়া পাম ওয়েলের ময়লাযুক্ত কড়াই । আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা ধরনের তৈরি পণ্য। শ্রমিকেরা খালি পায়ে, খালি গায়ে নোংরা পরিবেশে এসব পণ্যের পাশ দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছেন। আটা ময়দা প্রক্রিয়াজাত করানো কড়াইগুলোও রয়েছে অপরিস্কার ও নোংরা। ডালডা দিয়ে তৈরি করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি ভনভন করছে এবং ময়দা মাখানোর জন্য ইট দিয়ে বানানো চৌবাচ্চার মধ্যেই পরে মরে আছে মাছি ও তেলাপোকা। বেকারির এই নোংড়া পরিবেশে বানানো হচ্ছে ক্রিমবিস্কুট, এসব বেকারির মালিকরা মোড়ক বিহীন ২ নম্বর ভেজাল খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করছে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে।

এগুলো বিভিন্ন চায়ের দোকানে ফাষ্ট ফুডে সরবরাহ করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে মনিরের বিরুদ্ধে।এসব বেকারির উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ বসানো নেই।

সংশ্লিষ্ট উর্ধতন মহলের কাছে সচেতন সকলের দাবি ভোলা সদর উপজেলার পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ডের স্টিডিয়ামের সামনে মনিরের ভাড়াটিয়া বাসার ভিতরে কারখানাটি ঝুঁকি পুর্ন নোংরা পরিবেশের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।