ভোলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের আস্থাভাজন মানবিক স্বাস্থ্যকর্মী ওবায়েদূল

0
5
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

স্টাফ রিপোর্টার :-
ভোলা সদর হাসপাতালের সকলের পরিচিত মূখ মো: ওবায়েদুল মিয়। সামান্য ওয়ার্ড ব্রাদার থেকে আজ মানবিক স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে তিনি সর্বোজন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন সর্বত্র। অসূস্থ্য রোগীদের সেবা করে স্বাস্থ্য বিভাগে চাকুরীর২৯ টি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন এ ব্যাক্তিটি। সদা হাস্যোজ্জল ওবায়েদূলকে সকল চিকিৎসকরাই স্নেহ করেন। কারন,রোগীর প্রতি ভালোবাসা,যত্নশীল হওয়া, কাজের প্রতি মনোযোগীতা,ডাক্তারদের প্রতি শ্রদ্ধা,আনুগত্য,কর্তৃপক্ষের আদেশ-নিষেধ মেনেচলা এসব কিছু মিলিয়েই ওবায়েদুল নিজ ডিপার্টমেন্টে একজন মানবিক মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন।
raymond collection open link
অল্প শিক্ষিত হলেও ডাক্তারদের সাথে চিকিৎসা সেবার সহকারী হয়ে প্রতিনিয়ত ওবায়েদূল-ও স্বাস্থ্যসেবার বহু খুটিনাটি আদ্যোপান্ত রপ্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। হাসপাতালের অনেকের সাথে কথা বলে জানা গেছে,সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন পল্লী চিকিৎসক যখন পুরো গ্রাম-জনপদ দাবিয়ে বেড়ান,কখনো ভূল চিকিৎসায় মানুষকে ক্ষতিসাধন করেন,কিন্তু ওবায়েদূল সেরকম কোনো ব্যাক্তি নন। তিনি হাসপাতালে প্রতিদিনই ইন্টার্নি করেন। এভাবে ডাক্তারদের সহযোগী হতে গিয়ে কয়েকযুগ ধরে প্রাক্টিক্যাল সেবা করার ফাঁকে ফাঁকে ওবায়েদুল নিজের অজান্তেই একজন দক্ষ মানবিক সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,সদর হাসপাতালের সকল অপারেশনের ক্ষেত্রে ডাক্তারগন তাদের নির্ভরযোগ্য সহযোগী হিসেবে ওবায়েদুলকেই পাশে রাখেন। কিন্তু সম্প্রতি একটি প্রতিপক্ষ মহল মানবিক এ ব্যাক্তির ভালো গুনাগুনগুলো মেনে নিতে চাইছেননা। তারা ওবায়েদূলকে বিভিন্ন কল্পিত কাহিনীর বেড়াজালে আটকে নানা মিথ্যে অপবাদে জড়াতে যেনো মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সেখানকার একশ্রেনীর দালালচক্র ও হাসপাতালের গুটিকয়েক ব্যাক্তির অশুভ চক্রান্তের শিকার হয়েছেন,ওবায়েদুল।
গত কয়েকদিকদিন পূর্বে জমিলা খাতুন নামের এক কিশোরী রোগীনীর
এপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের সূত্রধরে ওবায়েদূলকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে,ষড়যন্ত্রকারীরা। ওই রোগীনীর বাবা’র বরাত দিয়ে ওবায়েদূলের বিরুদ্ধে বিষদগার করে অনলাইন গণমাধ্যম ও কিছু প্রিন্ট কাগজে মিথ্যের বেশাতি প্রকাশ করেছে চক্রটি। কিন্তু তাদের সেই গল্পকাহিনী বুমেরাং হয়েছে। ভিক্টিম রোগীনী জমিলার বাবা রিক্সাচালক জামাল মিয়া গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন,ওবায়ুলের বিরুদ্ধে আমি কোনো মিথ্যাচার করিনি বরং ওবায়েদুলের কারনে আমি উপকৃত হয়েছি। জামাল মিয়া বলেন, ওবায়েদুলের আন্তরিক সহযোগীতার কারনে ডাক্তার সবুজ কুমার পাত্র অল্প খরচে আমার মেয়ের অপারেশন করেছেন। তিনি ওবায়েদূলের মানবিকতার কাছে ঋনী হয়ে গেছেন বলেও আবেগ প্রকাশ করেন। সদর হাসপালের স্বাস্থ্যকর্মী রাব্বি’র সাথে কথা হলে তিনি জানান,অপারেশনের বিষয়টি আমি জানি। তিনি বলেন,ওবায়েদূল একজন ভালো মনের মানুষ। তিনি ওই রোগীর সু-চিকিৎসার দাবীতে ডাক্তারের কাছে আকুতি জানিয়েছিলেন। কিন্তু এটিকে রং লাগিয়ে ভিন্নখাতে ফলাও করা হয়েছে দেখে আমি রিতিমত হতবাক হয়েছি। ভোলা সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের হাবিলদার মো: মামুন জানান,রোগীনী জামিলার অপারেশনের বিষয়টি নিয়ে ওবায়েদূল ভাই’র বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা তথ্য গণমাধ্যমে দেখে আমি হতাশ হয়েছি। তিনি বলেন,যোগ্য মানবিক কাজের মানুষগুলোর বিরুদ্ধে যদি অযোগ্যরা মাঠে নেমে মিথ্যাচরণ করে তাহলে অসহায় মানুষের সেবা করার নি:স্বার্থ মানবিক মানুষ তৈরী হবেনা। এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মু.মনিরুল ইসলাম বলেন, ওবায়দুলের বিরুদ্ধে এরকম অনেক অভিযোগ ছিল কিন্ত
আমরা বিভিন্ন দিক বিচার-বিশ্লেষণ ও তদন্ত করে তাকে আবার দায়িত্বে দিয়েছি। এখন যদি তার বিরুদ্ধে এরূপ অভিযোগগুলো আবারো উঠে আসে এবং তা যদি তদন্তে প্রমানিত হয়,তাহলে আমরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এব্যাপারে ওবায়েদূলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,মানুষের জন্য ভালো কাজ করলে বাধা-বিপত্তি আসবেই। আমি নিজে ভালো হলে,কিম্বা অন্যকে ভালো রাখতে কাজ করলে এটা কিছু বাক্তি অসহ্য করতেই পারে। তবুও আমি সবসময়ই মানুষের কল্যানে কাজ করে যাবো এমন প্রত্যয়ব্যাক্ত করেন,মানবিক মানুষ ওবায়েদূল মিয়া।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।