লালমোহনে পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মিষ্টির দোকানদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা।

0
11
আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

লালমোহন প্রতিনিধি
পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মিষ্টির দোকানদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে বলিয়া অভিযোগ জানায় মিষ্টি দোকানদার রিয়াজ, শুক্রবার রাত্র অনুমান ৯ ঘটিকায় কয়েকজন শিশু বোমি ও পেটে ব্যাথা জনিত সমস্যা নিয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়, তাহাতে স্থানীয় মেম্বার মোঃ শামিম ও তার কিছু লোকজন পূর্বের শত্রুতার জেরে আমাকে বিফাকে ফেলার জন্য আমার দোকানের মিষ্টি খেয়ে বাচ্চারা অসুস্থ হয়েছে বলিয়া প্রচার করিতেছে, আমাকে মারধর করার পায়তারা করতেছে, অথচ বাচ্চারা যেই মিষ্টি খেয়েছে ওগুলো আমার দোকান থেকে ক্রয় করে নায়। তিনি আরও বলেন স্থানীয় শামীম মেম্বার ও ৬ নং ওয়ার্ডের সাকিল মেম্বার এবং মহিলা মেম্বারের স্বামী হারুনসহ কয়েকজন কিছুদিন আগে আনিছল মিয়ার বাজারে ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানহানিজনক মিছিল মিটিং করিয়াছে, সেখানে আমাকে শামীম মেম্বার ডাকছিলো, আমি তার কথায় সেখানে না জাওয়াতে আমার উপর অনেক ক্ষিপ্ত হয়, এবং বলে আমি যতদিন মেম্বার থাকবো ততদিন তোকে এইবাজারে ব্যাবসা করতে দিবোনা, আমি দেখবো কি করে তুই এই বাজারে ব্যাবসা করিস বলিয়া হুমকি দিয়েছিলো, আজকে আমায় বলে কিরে আমার কথা না সুনার পরিনাম কি এখন তোকে বুজিয়ে দিমু।
পরবর্তীতে এবিষয়ে স্থানীয় শামীম মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে তাকে পাওয়া জায়নি, এবিষয়ে অসুস্থ হওয়া বাচ্চাদের পিতা মাতার সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা জানিনা কি থেকে এই সমস্যা হয়েছে, হটাৎ বাচ্চাদের পেটে ব্যাথা হওয়ায়, তাদেরকে চিকিৎসা করাইতেছি, তবে আজ দুপুরে আমাদের বাড়িতে একটি নতুন রিকশা ক্রয় করার কারনে মিলাত হয়েছে, আমাদেরকে মিষ্টি দিয়েছে তা খেয়েছে বাচ্চারা, মিষ্টি খাওয়ার কারনেও হতে পারে।
এবিষয়ে ইমারজেন্সীতে ডিউটিরত কম্পিউন্ট জানান মিষ্টিতে কোনো সমস্যা ছিলোনা সম্ভবত, পরবর্তীতে মিষ্টিতে হয়তো কিছু মিশানো হয়েছে, এবিষয়ে ডঃ মোঃ ছরোউদ্দীন সাহেবের সাথে কথা বললে তিনি বলেন ওরা পেটে ব্যাথা নিয়ে ভর্তি হয়েছে, চিকিৎসা চলমান আছে, কিন্তু কি কারনে পেটে ব্যাথা বোমি হয় তা এখনও বলা জাচ্ছে না।
পরবর্তীতে এবিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন ঘটনাটি সুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়, তবে এখনো কেউ কোনো প্রকার অভিযোগ করে নায়, অভিযোগ করিলে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হইবে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।